advertisement
advertisement

দেশের কারাগারে বন্দি মায়েদের সঙ্গে রয়েছে প্রায় ৩০৩ শিশু: সমাজসেবা অধিদপ্তরের প্রতিবেদন


আলজাজিরা নিউজ বিডি -"রক্ত চক্ষুর চাহনি? সে তো ক্ষণিকের ধোঁয়া,সত্যের শিখা জ্বলে ওঠে আমি দৃঢ় প্রতিজ্ঞ" | প্রতিবেদক: Md. Zahangir Hasan প্রকাশিত: ১২ অক্টোবর ২০২৬, ৬:৩৯ অপরাহ্ণ
দেশের কারাগারে বন্দি মায়েদের সঙ্গে রয়েছে প্রায় ৩০৩ শিশু: সমাজসেবা অধিদপ্তরের প্রতিবেদন

কারাগার

advertisement

দেশের বিভিন্ন কারাগারে বন্দি মায়েদের সঙ্গে বর্তমানে আনুমানিক ২৯৮ থেকে ৩০৩ জন শিশু অবস্থান করছে বলে সমাজসেবা অধিদপ্তরের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, প্রবেশন কর্মকর্তার তত্ত্বাবধানে ‘অপরাধী সংশোধন ও পুনর্বাসন সমিতি’র মাধ্যমে এই শিশুদের বিকাশ ও নিরাপত্তা নিশ্চিতের লক্ষ্যে নিয়মিতভাবে খেলনা, পোশাক ও পুষ্টিকর খাবার সরবরাহ করা হচ্ছে। একই সঙ্গে কারাগারে থাকা এই শিশুদের স্বাভাবিক বেড়ে ওঠা ও সর্বোত্তম স্বার্থ সুরক্ষায় অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে দুটি সুপারিশ তুলে ধরা হয়েছে।

গত ৮ মে একটি দৈনিকে ‘কারাগারে বিপন্ন শৈশব’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে তা ও অন্যান্য অভিমত যুক্ত করে গত জুন মাসে রিট করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী কামরুন নাহার মাহমুদ। এর প্রাথমিক শুনানি নিয়ে গত ১৫ জুন হাইকোর্ট রুলসহ অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ দেন। আদেশে দেশের কারাগারগুলোতে বন্দি মায়ের সঙ্গে থাকা শিশুদের সংখ্যা, বয়স ও সামগ্রিক অবস্থান সম্পর্কিত বিস্তারিত প্রতিবেদন দুই মাসের মধ্যে দাখিল করতে কারা মহাপরিদর্শককে নির্দেশ দেওয়া হয়। এর ধারাবাহিকতায় সমাজসেবা অধিদপ্তর রিট আবেদনকারী বরাবর প্রতিবেদনটি পাঠায়। সোমবার আইনজীবী কামরুন নাহার মাহমুদ প্রথম আলোকে জানান, চলতি সপ্তাহে তিনি সমন্বিত এই প্রতিবেদনটি পেয়েছেন। প্রবেশন শাখার মাধ্যমে শিশুদের দেখাশোনা করা হয় এবং সুপ্রিম কোর্টের অবকাশকালীন ছুটি শেষে আগামী ২৫ অক্টোবর নিয়মিত আদালত বসলে প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করা হবে।

সমাজসেবা অধিদপ্তরের আওতাধীন ‘শিশু সুরক্ষা ইউনিট’ ও ‘প্রবেশন শাখা’র যৌথ প্রতিবেদনে জানানো হয়, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অন্যতম প্রধান কার্যক্রম ‘প্রবেশন অ্যান্ড আফটার কেয়ার সার্ভিসেস’ বর্তমানে ৬৪টি জেলা ও আটটি সিএমএম আদালতসহ মোট ৭২টি ইউনিটে চালু রয়েছে, যার অধীনে নিবন্ধিত স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন হিসেবে ‘অপরাধী সংশোধন ও পুনর্বাসন সমিতি’ দায়িত্ব পালন করে। প্রতিবেদনে বলা হয়, কারাগারের পরিবেশ দীর্ঘ মেয়াদে শিশুর শারীরিক ও মানসিক বিকাশের অনুকূল নয়। তাই বিকল্প হিসেবে সুপারিশ করা হয়, নির্দিষ্ট বয়স বা সময়সীমা শেষে শিশুর কল্যাণে তাদের নিকটাত্মীয়দের কাছে ‘ফস্টার কেয়ার’ বা বিকল্প পারিবারিক যত্নে পুনর্বাসন করা যেতে পারে। আর নিকটাত্মীয়ের কাছে পুনর্বাসনের সুযোগ না থাকলে কিংবা পরিবেশ নিরাপদ না হলে সমাজসেবা অধিদপ্তরের ‘সরকারি শিশু পরিবার’ বা উপযুক্ত নিরাপদ আবাসনকেন্দ্রে রেখে শিশুর শিক্ষা ও সামগ্রিক লালন-পালন নিশ্চিত করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

advertisement
advertisement

জাতীয় বিভাগের আরো খবর